বাজেট প্রতিক্রিয়া

বন্ড ও ভ্যাট ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ ৫ দাবি বিজিএমইএর

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ)।

তবে বন্ড ও ভ্যাট ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বাজেটে পূরণ হয়নি এমন পাঁচটি দাবি উত্থাপন করেছে পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনটি।

গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিএমইএ জানায়, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যেও প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব ও সংস্কারমুখী। তবে তৈরি পোশাক খাতের বিদ্যমান সংকট বিবেচনায় বাজেটে পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

বিজিএমইএ বলেছে, বৈশ্বিক মন্দা ও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির কারণে পোশাক খাত বর্তমানে কঠিন সময় পার করছে। চলতি অর্থবছরে তৈরি পোশাক খাতের রফতানি আয় ৩ দশমিক ৪১ শতাংশ, ইউনিটপ্রতি গড় মূল্য ১ দশমিক ৫৫ শতাংশ এবং কাঁচামাল আমদানির জন্য ব্যাক টু ব্যাক এলসি খোলার পরিমাণ ৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ কমেছে। এছাড়া গত তিন বছরে প্রায় ৪০০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠনটি সরকারের কাছে পাঁচটি দাবি জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পোশাক রফতানির ওপর উৎসে করের হার বর্তমান ১ থেকে কমিয়ে দশমিক ৬৫ শতাংশ নির্ধারণ এবং তা আগামী পাঁচ বছরের জন্য স্থিতিশীল রাখা।

নগদ সহায়তার বিপরীতে আয়কর কর্তনের হার ১০ থেকে ৫ শতাংশে নামানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও বর্তমান তারল্য সংকট বিবেচনায় তা সম্পূর্ণ মওকুফ করার দাবি জানিয়েছে বিজিএমইএ।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানাগুলোকে টিকিয়ে রাখতে সাব-কন্ট্রাক্ট মূল্যের ওপর আরোপিত ১ শতাংশ দ্বৈত উৎসে কর প্রত্যাহার এবং ভ্যাট অব্যাহতি প্রক্রিয়া আরো সহজ করা। পোশাক খাতের জন্য নির্ধারিত ১২ শতাংশ এবং গ্রিন ফ্যাক্টরির জন্য ১০ শতাংশ করপোরেট করহার যেন অন্য কোনো আয়ের কারণে বৃদ্ধি না পায়, তা নিশ্চিত করা।

এছাড়া ম্যান-মেড ফাইবারভিত্তিক পোশাক রফতানির সম্ভাবনা বিবেচনায় পলিয়েস্টার স্ট্যাপল ফাইবার (পিএসএফ), পিভিসি রেজিন ও পিইটি রেজিনের ওপর প্রস্তাবিত অতিরিক্ত আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা।

আরও